Summary
কথাসাহিত্যিক শওকত আলী ১৯৩৬ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা খোরশেদ আলী সরদার এবং মাতার নাম মোসাম্মত সালেমা খাতুন। ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুরে চলে আসেন এবং ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিষয়ে এমএ পাস করেন। বিভিন্ন পেশায় কাজ করার পর, সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন।
শওকত আলীর সাহিত্যভাবনার মূল প্রবণতা জীবনের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং বিচিত্র জীবনপ্রবাহকে শিল্পাবয়ব প্রদান করা। নৃতত্ত্ব, ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তিনি ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে একুশে পদক লাভ করেন। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: ‘পিঙ্গল আকাশ’, ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’, ‘উত্তরের ক্ষেপ’, ‘লেলিহান সাধ’। ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
কথাসাহিত্যিক শওকত আলী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম খোরশেদ আলী সরদার এবং মায়ের নাম মোসাম্মত সালেমা খাতুন। ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুরে। ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে পড়েন। অভাব অনটনের মধ্যেই চালিয়ে যান নিজের লেখাপড়া। ১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা বিষয়ে এমএ পাস করেন। সাংবাদিকতা, শিক্ষকতাসহ বিভিন্ন ধরনের পেশায় তিনি নিয়োজিত ছিলেন। তৎকালীন জগন্নাথ কলেজে দীর্ঘকাল শিক্ষকতার পর সর্বশেষ তিনি সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জীবনকে নিবিড়ভাবে অবলোকন করা এবং বিচিত্র জীবনপ্রবাহকে শিল্পাবয়ব প্রদান শওকত আলীর সাহিত্যভাবনার মূল প্রবণতা। নৃতত্ত্ব, ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে, যার প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর রচনায়। তিনি ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে এবং ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে একুশে পদকে ভূষিত হন। শওকত আলীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে : 'পিঙ্গল আকাশ', ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন', ‘উত্তরের ক্ষেপ’, ‘লেলিহান সাধ' প্রভৃতি । ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৫এ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন ।
Read more